1. editormuktiralo@gmail.com : রেজা :
  2. reponkhan02@gmail.com : Rasel Reza : Rasel Reza
মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইরাকের বসরায় বোমা হামলা, নিহত ৭ প্রয়োজনে ডা. মুরাদকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবে ডিবি প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় ‘পদ্মা’ ও ‘মেঘনা’ নামে দুটি বিভাগ হোক ‘খালেদার চিকিৎসায় আইন নয়, বাধা সরকার’ মুরাদের অবস্থা বুঝতে পেরেছিলেন তথ্যমন্ত্রী জেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার মুরাদ মুরাদ হাসানকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আগামী সভায়: হানিফ ডা. মুরাদকে গ্রেপ্তার করতে হবে : রিজভী দেবহাটা উপজেলার কামটায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উৎযাপন উপলক্ষে মানব বন্ধন প্রবাসীদের নতুন বার্তা দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভুয়া অ্যাকাউন্ট, গ্রুপ ও ইনস্টাগ্রাম সরাল ফেসবুক ১১ ডিসেম্বর থেকে সব সিটিতে হাফ ভাড়া

বাংলাদেশের মানুষ এখন ঘরে বসে সারা দুনিয়া দেখছে : পলক

  • সময় : সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩২ বার দেখেছে

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেছেন, চারটি মূল স্তম্ভের ওপর ডিজিটাল বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ভিত্তিতে দাঁড় করাতে পেরেছি। সেই চারটি ভিত্তির প্রথমটি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদে তৈরি করা, দ্বিতীয়টি বাংলাদেশের প্রতিটি জনগণের কাছে সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া, তৃতীয়টি সরকারের সকল সেবাকে ডিজিটাল মাধ্যমে সুলভ মূল্যে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং চতুর্থটি হলো একটি আধুনিক প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তোলা। সেই কল্যাণে মানুষ ঘরে বসে সারা দুনিয়া দেখছে।

আজ সোমবার সকালে মেহেরপুর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সংলগ্ন শেখ কামাল আইটি ও ইনকিবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সাল তিনটি বিশেষ কারণে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রথমত ২০২০-২১ আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি, দ্বিতীয়ত স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করছি এবং তৃতীয়ত প্রধানমন্ত্রী একটি শ্রমনির্ভর অর্থনৈতিক দরিদ্র বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা যে রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেছিলেন আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ ঘরে বিদ্যুৎ ছিল না। তখন বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৫৬ লাখ। তখন বাংলাদেশের সরকারি সেবা ডিজিটাল প্লাটফর্মে তো দূরের কথা কর্মকর্তাদের ই-মেইল করার সুযোগ ছিল না। বাংলাদেশের গ্রামগুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল। বাংলাদেশ আধুনিক প্রযুক্তির কোনো ছোঁয়া ছিল না। প্রযুক্তিশিল্প বলতে আমাদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। সেই ১২ বছর আগের দরিদ্র বাংলাদেশকে একটি প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। ডিজিটাল বাংলাদেশের যে মূল অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন তরুণ প্রজন্মের অহংকার সজীব ওয়াজেদ জয়।

তিনি আরো বলেন, মহামারি করোনার কারণে যখন শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পথে তখন এই আইসিটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে সরকার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছার কারণে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। আজ যে আইটি ও ইনকিবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তুরের উদ্বোধন করা হলো সেখানে দেশ-বিদেশের আইসিটি বিশেজ্ঞদের সহযোগিতায় এলাকার বেকার-যুবকরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে উঠবে। এমনকি কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেনেন্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসজিপি, পিএসসি, বাংলাদেশ ডিজেল প্লান্ট ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিগ্রেডিয়ার কাজী অনিরুদ্ধ, মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান, পুলিশ সুপার রাফিউল আলম।

ডিজিটাল বাংলাদেশ, আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ হাই টেক পার্কের তত্ত্বাবধানে মেহেরপুরে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারের কাজ শুরু হচ্ছে। আগামী বছরের জুনে এর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

এই জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2015-2021 Muktiralo24.Com
Design & Developed BY SD REPON KHAN
x