সংবাদ শিরোনাম :
দেশজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা : রিজভী অল্প রানে গুটিয়ে গেল নেদারল্যান্ডস রংপুরে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাতিল হতে পারে বিশ্বকাপের পাক-ভারত ম্যাচ! সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত ডিএমপি কমিশনার-র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি এবার রংপুরে হিন্দুপাড়ায় আগুন, আটক ২০ আমেরিকা ও কানাডাকে উসকানির ব্যাপারে সতর্ক করল চীন যুদ্ধ শুরু হলে হিজবুল্লাহ প্রতিদিন ২৫০০ রকেট ছুঁড়তে পারবে’ বিশ্বকাপ জিতেই অধিনায়কত্ব ছাড়তে চান কোহলি চবির ১২ ছাত্রলীগ কর্মীকে বহিষ্কার বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা কুমিল্লার ঘটনা ঘটিয়েছে : তথ্যমন্ত্রী
ট্রাম্পের করোনা আর তা নিয়ে গরম বোলচাল চীনকে নার্ভাস করছে

ট্রাম্পের করোনা আর তা নিয়ে গরম বোলচাল চীনকে নার্ভাস করছে

06 October 2020     03:04  pm           

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ার জন্য কে দায়ী, তা মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনী বিতর্ক অনুষ্ঠানে ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও একবার স্পষ্ট করে বলেছেন। জো বাইডেনের সঙ্গে ওই বিতর্কে ট্রাম্প বলেন, এর জন্য চীনকে দুষতে হয়। তাদের ভুলেই ‘চায়না প্লেগ’ ছড়িয়ে পড়েছে। ও রকম ভুল কখনই করা চলে না। সিএনএনের বিশ্লেষক জেমস গ্রিফিথ বলেন, করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণে চীনের ব্যর্থতার কথা ট্রাম্প কয়েক মাস ধরে সমানে তুলে ধরেছেন। এই ভাইরাসের থাবায় যুক্তরাষ্ট্রে দুই লক্ষাধিক প্রাণ গেছে, সংক্রমিত হয়েছে ৭৩ লাখ মানুষ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই এখন করোনায় ভুগছেন।

প্রেসিডেন্ট করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মার্কিন নাগরিকরা গণমাধ্যমের বিভিন্ন শাখায় করোনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা কত শোচনীয় তা সবিস্তারে বলে চলেছেন। বাক্যের হুল যন্ত্রণাদায়ক হওয়ায় চীনারাও পাল্টা বোলচাল দিতে শুরু করে। ‘জাতীয় দিবস ও ‘শারোদোৎসব’ উদযাপন পর্যায়ে ৮ দিন অবকাশ চলছে চীনে; এতে অংশ নিচ্ছে লাখ লাখ মানুষ। করোনা নিয়ন্ত্রণে সাফল্যের কারণেই এটা সম্ভব হচ্ছে।ট্রাম্পের করোনা হওয়া নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা চলে উইবো (টুইটারের মতো চীন প্ল্যাটফরম) এবং অন্যান্য মাধ্যমে। রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে প্রকাশিত ট্যাবলয়েড ‘গ্লোবাল টাইমস’-এর সম্পাদক হু জিজিন তার টুইটারে লিখেছেন, ‘ট্রাম্প ও তার স্ত্রী কভিড-১৯-কে খাটো করে দেখার মূল্য দিচ্ছেন।’

ঠাট্টা-মশকরা আর তির্যক মন্তব্যগুলো চীনের সরকারি টিভি নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য মাধ্যম থেকে দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়। বিশ্লেষক মনে করেন : এটা চীনের নার্ভাস হওয়ারই আলামত। মার্কিন কর্মকর্তা আর নাগরিকদের আক্রমণাত্মক ভাষার মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে নীরব থাকাকেই শ্রেয় ভাবছে বেইজিং।

সিএনএনের বিশ্লেষণ

Print Friendly, PDF & Email

আপনার সোশ্যাল মিডিয়াতে এই পোস্টটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2015-2021 Muktiralo24.Com
Design & Developed BY SD REPON KHAN